০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষায় নকল ধরা পড়ে শৌচাগারে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৮

নোয়াখালী : সদর উপজেলায় বার্ষিক পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সময় ধরা পড়ে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হলে আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মৃত ছাত্রী ফারহানা আক্তার মোহনা (১২) বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের পণ্ডিতপুর গ্রামের বেন্টর বাড়ির মো. ফরহাদের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিনোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শৌচাগারে এই ঘটনা ঘটে।

মোহনার চাচা সাইফুল ইসলাম তানিম বলেন, সকালে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেয় মোহনা। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিবার জানতে পারে সে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে স্বজনেরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ছুটে এলে তাঁদের জানানো হয়-পরীক্ষা চলাকালে নকল করতে গিয়ে ধরা পড়ে মোহনা। এ কারণে অভিমান থেকেই সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে। তবে বিষয়টি আরেকটু গভীরে অনুসন্ধান করলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তাক সরওয়ার রিজভী বলেন, পরীক্ষার হলে নকল করতে গিয়ে মোহনা ধরা পড়ে। পরে দায়িত্বরত শিক্ষক তার উত্তরপত্র ফেরত দেন। পরীক্ষা শেষে সে পাশের বিনোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শৌচাগারের গ্রিলে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। শিক্ষার্থীরা ঘটনাটি দেখে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুধারাম থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ হাসপাতালে যায়। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বাধিক পঠিত

পরীক্ষায় নকল ধরা পড়ে শৌচাগারে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট: ০৪:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী : সদর উপজেলায় বার্ষিক পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সময় ধরা পড়ে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হলে আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মৃত ছাত্রী ফারহানা আক্তার মোহনা (১২) বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের পণ্ডিতপুর গ্রামের বেন্টর বাড়ির মো. ফরহাদের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিনোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শৌচাগারে এই ঘটনা ঘটে।

মোহনার চাচা সাইফুল ইসলাম তানিম বলেন, সকালে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেয় মোহনা। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিবার জানতে পারে সে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে স্বজনেরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ছুটে এলে তাঁদের জানানো হয়-পরীক্ষা চলাকালে নকল করতে গিয়ে ধরা পড়ে মোহনা। এ কারণে অভিমান থেকেই সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে। তবে বিষয়টি আরেকটু গভীরে অনুসন্ধান করলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তাক সরওয়ার রিজভী বলেন, পরীক্ষার হলে নকল করতে গিয়ে মোহনা ধরা পড়ে। পরে দায়িত্বরত শিক্ষক তার উত্তরপত্র ফেরত দেন। পরীক্ষা শেষে সে পাশের বিনোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শৌচাগারের গ্রিলে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। শিক্ষার্থীরা ঘটনাটি দেখে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুধারাম থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ হাসপাতালে যায়। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।