০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

হাতিয়ায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে ২০ খামারিকে পুরস্কার প্রদান

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬০


ছায়েদ আহামেদ : নোয়াখালীর হাতিয়ায় প্রাণিসম্পদ মেলা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারী মোট ২০ জন খামারিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকালে উপজেলার চরকৈলাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রাশেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, সাংবাদিক ও দর্শনার্থীরা।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন,
“আমিষের ঘাটতি পূরণ, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য গবাদিপশু পালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মেলার মাধ্যমে খামারিদের সাফল্য দেখে অন্যরাও আগ্রহী হবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও পশুর সাথে জনসাধারণের পরিচয় করানোই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য।”

আলোচনার আগে হাসান নামের এক খামারি বাজারে পশু বিক্রিতে অতিরিক্ত ইজারা নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন,
“একটা হাঁস বিক্রি করতে ৫০ টাকা, আর একটি ছাগল বিক্রি করতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ইজারা দিতে হয়।”
উপজেলা প্রশাসনের নিকট তিনি এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

মেলায় ২৬টি স্টলে ২০ জন খামারি তাদের পালিত পশু ও পোষা পাখি প্রদর্শন করেন। সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলে এ প্রাণিসম্পদ মেলা।

শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সফল খামারিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সর্বাধিক পঠিত

হাতিয়ায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে ২০ খামারিকে পুরস্কার প্রদান

আপডেট: ০৩:৪০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫


ছায়েদ আহামেদ : নোয়াখালীর হাতিয়ায় প্রাণিসম্পদ মেলা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারী মোট ২০ জন খামারিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকালে উপজেলার চরকৈলাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রাশেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, খামারি, সাংবাদিক ও দর্শনার্থীরা।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন,
“আমিষের ঘাটতি পূরণ, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য গবাদিপশু পালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মেলার মাধ্যমে খামারিদের সাফল্য দেখে অন্যরাও আগ্রহী হবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও পশুর সাথে জনসাধারণের পরিচয় করানোই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য।”

আলোচনার আগে হাসান নামের এক খামারি বাজারে পশু বিক্রিতে অতিরিক্ত ইজারা নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন,
“একটা হাঁস বিক্রি করতে ৫০ টাকা, আর একটি ছাগল বিক্রি করতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ইজারা দিতে হয়।”
উপজেলা প্রশাসনের নিকট তিনি এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

মেলায় ২৬টি স্টলে ২০ জন খামারি তাদের পালিত পশু ও পোষা পাখি প্রদর্শন করেন। সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলে এ প্রাণিসম্পদ মেলা।

শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সফল খামারিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।